Job Preparation

বীজ প্রযুক্তি- ( A to Z )

কৃষি রিলেটেড যে কোন চাকরির এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য বীজ প্রযুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

বীজ প্রযুক্তি ( A to Z )
বীজ প্রযুক্তি ( A to Z )

বীজ প্রযুক্তি

কৃষির মূল উপকরণ হচ্ছে বীজ। ফসলের যে কোন অংশ, যেটি অনুকূল পরিবেশে নতুন একটি উদ্ভিদ জন্মাতে সক্ষম তাকে বীজ বলে অভিহিত করা যায়। বীজ কে দুইভাবে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে প্রথমতঃ উদ্ভিদাত্ত্বিক বীজ- নিষিক্ত ও পরিপক্ক ডিম্বক কে বীজ বলে। দ্বিতীয়তঃ কৃষি তত্তানুসারে- উদ্ভিদের যে কোন অংশ বংশবিস্তারের জন্য ব্যবহৃত হয় তাকেই বীজ বলে। কৃষি রিলেটেড যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক চাকরির পরীক্ষায় প্লিজ রিলেটেড প্রস্তুতি.

বীজ প্রযুক্তি- ( A to Z )

বীজ প্রযুক্তি

১। ফসল উৎপাদনের জন্য মৌলিক উপকরণ–@ বীজ

২। বীজ কে সাধারণত কয়ভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়–@ দুইভাবে, কৃষি তত্ত্বানুসারে ও উদ্ভিদ তত্ত্বানুসারে।

৩। বাংলাদেশের ফসল উৎপাদনের জন্য যে বীজ ব্যবহৃত হচ্ছে তার প্রায় সবাই কোথা থেকে আসে–@কৃষক কর্তৃক উৎপাদিত ফসলের অংশবিশেষ।

৪। বীজ পরীক্ষার জন্য কি দরকার–@বীজের ঘটনা শরীর বৃত্তীয় জ্ঞান।

৫। নতুন জাত উদ্ভাবনের জন্য যে মূল তত্ত্ব ব্যবহৃত হয় তার আবিষ্কারক কে–@গ্রেগর মেন্ডেল।

৬। বীজ প্রযুক্তির ধাপ কয়টি–@ পাঁচটি।

৭। কোথা হতে বীজ হয়–@ ফুল

৮। ফুলের কোন দুটি অঙ্গ বীজের জন্য বিশেষ প্রয়োজনীয়–@ পুংকেশর চক্র ও গর্ভকেশের চক্র।

৯। কোনটি বীজ — @নিষিদ্ধ ও পরিপক্ক ডিম্বক হচ্ছে বীজ।

১০। প্রকৃত বীজগুলো হল–@ ধান ,গম ,ভুট্টা ,ছোলা, মুগ ,মসুর ইত্যাদি।

১১। অপ্রকৃত বীজগুলো হল–@ গোল আলু ,কচুর কন্দ, রসুনের কুয়া ,কলম ,গুটি ইত্যাদি।

১২। একবীজপত্রী বীজ–@ ধান ,গম ,পিয়াজ ইত্যাদি।

১৩। দ্বিবীজপত্রী বীজ –@ ছোলা, বরবটি, মটরশুটি ইত্যাদি।

১৪। বহুবীজপত্রী বীজ–@ পাইন গাছের বীজ।

১৫। সস্যল বীজ –@ ধান ,গম, ভুট্টা ইত্যাদি।

১৬। অসস্যল বীজ–@ ছোলা, মটর ,সরিষা ,তেতুল ইত্যাদি।

১৭। বীজপতের সংখ্যা অনুযায়ী বীজকে কয় ভাগে ভাগ করা হয়–@ একবীজপত্রী ,দ্বিবীজপত্রী ও বহুবীজপত্রী।

১৮। কোনটি প্রকৃত বীজ–@ ধান গম।

১৯। উদ্ভিদের বংশ বিস্তারের জন্য প্রধান মাধ্যম কি–@ বীজ।

বীজ প্রযুক্তি

২০। বীজের সাধারণ অঙ্গসমূহকে কোন দুটি অংশে ভাগ করা যায়–@ বীজত্বক ও বীজসার।

২১। বীজ ত্বকের কাজ কি–@ বীজসারকে রক্ষা করা।

২২। বীজ রন্ধ্রের মাছ দিয়ে বেরিয়ে আসে কি–@ ভ্রুনমূল।

২৩। ভ্রুণ কি–@ ভাবি উদ্ভিদের ক্ষুদ্র সংস্করণ।

২৪।ভ্রুনাক্ষের যে অংশে বীজপত্র যুক্ত থাকে তাকে কি বলে–@ ভ্রুনপর্ব।

২৫। ভ্রুনাক্ষের উপরের অংশকে কি বলে–@ ভ্রুণ মুকুল।

২৬। ভ্রুনাক্ষের নিচের অংশকে কি বলে–@ ভ্রুনমূল।

২৭। বীজপত্রের কাজ কয়টি–@ তিনটি।

২৮ । ভ্রুনমূল দ্বারা আবৃত থাকে কি–@ কলিওরাইজা।

২৯। একটি বীজ লোটে নির্দিষ্ট জাতের শতকরা কত ভাগ বীজ আছে , তাকে কি বলে–@ জাত বিশুদ্ধতা।

৩০। ভালোভাবে পরিষ্কার করে শতকরা কত ভাগের উপরে বীজ বিশুদ্ধতার হার রক্ষা করা যায়–@ ৯৫

৩১। অঙ্কুরোদগম পরীক্ষার জন্য কতটি বীজ পরীক্ষা করা উচিত–@ ৪০০

৩২। সাধারণত হাজার বীজের ওজন দিয়ে কি বুঝানো হয়–@ বীজের আকার।

৩৩। বীজের নমুনা শুকালে যে পরিমাণ ওজন কমে যায় সে পরিমাণ কে কি বলে–@ বীজের আদ্রতা

৩৪। এক হেক্টর জমিতে বীজ বপণের পরিমাণ কে কি বলে–@ বীজ হার।

৩৫ । বীজ হারের গুরুত্ব কি–@ ব্রিজের অপচয় রোধ করে।

৩৬। বীজ মাঠে উৎপাদন নিরাপত্তার মাত্রা কত –@ ২০-২৫%

৩৭। Variety কোন Latin শব্দ থেকে নেয়া–@ Varietas

৩৮। বাংলা জাত শব্দটি কি বুঝাতে ব্যবহার করা হয়–@ শ্রেণী বা গোষ্ঠী।

৩৯। দেখতে একরকম এবং নিজেদের মতো উদ্ভিদ উৎপাদনের সক্ষম এমন উদ্ভিদ তাত্ত্বিক শ্রেণীকে কি বলে–@ প্রজাতি।

৪০। উদ্ভিদ জগতে কতগুলো প্রজাতি রয়েছে–@ সাড়ে তিন লক্ষ।

বীজ প্রযুক্তি

৪১ । চাষে ব্যবহৃত প্রজাতির সংখ্যা কত–@ আড়াইশ

৪২। ব্রিজ প্রযুক্তিগত কাজ কি ছাড়া সম্ভব নয়–@ জাতের নাম।

৪৩। জাত উন্নয়নের প্রধান উদ্দেশ্য কি–@ নতুন জাত সংগ্রহ করে ভালো পেলে তা ব্যবহার করাকে কি পদ্ধতি বলে–@ প্রবর্তন। ৪৪। যার উন্নয়নের পাঁচটি পদ্ধতি হলো-+@ প্রবর্তন, বাছাই ,সংকরায়ন ,হাইব্রিড ভিগার এবং মিউটেশন।

৪৫। ফসলের বীজ উৎপাদন যদি সম্ভব না হয় সে ক্ষেত্রে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করে উন্নত জাত পাওয়া যেতে পারে–@ প্রবর্তন।

৪৬। ভালোকে গ্রহণ ও খারাপ কে বর্জন কোন পদ্ধতির মূল প্রক্রিয়া–@ বাছাই।

৪৭। বিষ প্রযুক্তিগত কাজ কি ছাড়া সম্ভব নয়–@ জাতের নাম।

৪৮। দুটি জাতের মিলন ঘটালে উৎপাদিত উদ্ভিদ যদি তাদের পিতা-মাতা হতে অধিক তেজ দেখায় তাহলে কি বলে–@ হাইব্রিড ভিগার।

৪৯। জাত মূল্যায়ন কি জন্য করা হয়–@ জাত ছাড়করন। ৫০। নতুন উদ্ভাবিত জাতের চাষ ও ব্যবহারের মূল্যবান যাচাইয়ের জন্য যে পরীক্ষা করা হয় তাকে কি পরীক্ষা বলে–@ ভি সি ইউ (VCU)

৫১। একটি জাত ভালো হতে হলে কোন গুনটি অবশ্যই থাকা দরকার–@ ভালো ফলন।

৫২। বাংলাদেশের তুলনামূলক কার্যকারিতার বিবরণ কে তৈরি করে–@ উদ্ভাবনকারী সংস্থা।

৫৩। কোন দেশে বাধ্যতামূলকভাবে আইনগত পদ্ধতি মেনে জাত ছাড় করা হয়–@ ইউরোপীয় দেশ।

৫৪। অনিয়ন্ত্রিত জাতকরনের বেলায় কারা সক্রিয় ভূমিকা পালন করে–@ বেসরকারি প্রজননকারী।

৫৫। উদ্ভাবিত জাতের নাম সাধারণত কে প্রস্তাব করে–@ উদ্ভাবনকারী।

৫৬। ইউপোভের কাজ কি–@ জাতের স্বত্ব রক্ষা।

৫৭। একটি জাতের বৈশিষ্ট্য সমূহের প্রধান নিয়ন্ত্রক কি–@ কৌলিক গঠন

৫৮। ভিন্ন গাছের ফুল হতে উৎপাদিত করাগরেণ্য দ্বারা পরাগায়নকে কি বলে–@ পরপরাগায়ন।

৫৯। কিসের মাধ্যমে একটি জাতের কলি তাত্ত্বিক গঠনের অবনতি ঘটে–@ পরপরাগায়ন

৬০। কিসের অভাবে সাধারণত দানা হয় না–@ বোরন

বীজ প্রযুক্তি

৬১। বীজ ফসল ঠিকমতো বাসায় না করলে কি হতে পারে–@ অন্য জাতের মিশ্রণ

৬২। খামারের আকার কেমন হলে বীজ উৎপাদন সুবিধা হয়–@ বড়

৬৩। জাত ছাড় করনের পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ কি–@ জাত সংরক্ষণ ও মৌলবীজ সরবরাহ।

৬৪। কি ধরনের ব্যবস্থা না নিলে জাত নষ্ট হয়ে যায়–@ জাত সংরক্ষণ ও মৌলবীজ সরবরাহ।

৬৫। জাত উদ্ভাবনকারী প্রজননবিদের তত্ত্বাবধানে জাত বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণরূপে বজায় রেখে যে বীজ উৎপাদন করা হয় ,তাকে কি বিষ বলে –@ মৌল বা ব্রিডার বীজ।

৬৬। বাংলাদেশে কয়টি ধাপে বীজ পরিবর্তনের বিধান রয়েছে–@ চারটি

৬৭। যাক বৈশিষ্ট্য নষ্ট হবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ–@ পরপরাগায়ন ও অন্য জাতের মিশ্রণ।

৬৮। একটি জাতের কৌলিতাত্ত্বিক গঠনের অবনতি ঘটে কিসের মাধ্যমে–@ পরপরাগায়ন

৬৯। ১ কেজি বীজ বপন করে যত কেজি ভালো বীজ সংগ্রহ করা সম্ভব, সে সংখ্যাকে কি বলে–@ পরিবর্ধন গুননীয়ক।

৭০। যে ধাপের বীজ উৎপাদন করা হবে তার কোন ধাপের বীজ সংগ্রহ করা দরকার–@ পূর্ববর্তী ধাপ

৭১। বীজ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরবর্তী কাজ কি–@ জাত নির্বাচন

৭২। পরিবর্ধনের জন্য বিষ কিভাবে বপন করা উচিত–@ সারি করে

৭৩। কিভাবে অন্য জাতের পরাগরেণু আসা রোধ করা যায়–@ স্বতন্ত্রীকরণ দূরত্ব বজায় রেখে।

৭৪। প্রজননকালে পানি ঘাটতি দানার আকার কিরূপ হয়–@ ছোট, অপুষ্ট

৭৫। বীজ ফসলে কি বেশি হলে সে জমি থেকে বিছানা রাখা উত্তম–@ রোগের আক্রমণ

৭৬। বীজ ফসল বেশি পাকলে কি হতে পারে–@ ঝরে যেতে পারে

৭৭। নিজ ফসল কম পাকা অবস্থায় কাটলে কি হতে পারে–@ দানা চুপসে যেতে পারে।

৭৮। বীজ ফসল কেটে কি করে রাখা উচিত নয় –@ গাদা করে

৭৯। এক একর জমিতে চারা রোপনের জন্য কত কাঠা পরিমাণ বীজ তোলার প্রয়োজন–@ তিন কাঠা

৮০। আমন ধানের চারা উৎপাদনের জন্য কবে বীজ রোপন করতে হয়–@ জুন-জুলাই

বীজ প্রযুক্তি

৮১। আউশ ধানের জন্য বীজ বপন করতে হয় কখন–@ মার্চ -এপ্রিল

৮২। বোরো মৌসুমের জন্য বীজ বপন করতে হয় কখন–@ নভেম্বর -ডিসেম্বর মাসে.

৮৩। কোনটি বোরো ধানের জাত–@ ব্রি-ধান ২৯

৮৪। কোনটি আমন ধানের জাত–@ নয়া পাজাম

৮৫। রোপা আউশ –@ চান্দিনা, বিপ্লব, আশা, সুফলা ইত্যাদি।

৮৬। রোপা আমন –@ ব্রি ধান ৩০,৩১,৩২, নয়াপাজাম ইত্যাদি।

৮৭। রোপা বোরো–@ চান্দিনা ,বিপ্লব ,ময়না, ব্রি-ধান ২৮,২৯

৮৮। ধানের জমির স্বতন্ত্রীকরণ দূরত্ব–@ তিন থেকে চার মিটার

৮৯। রোপা আমন ধানে ইউরিয়া সার কত কিস্তিতে প্রয়োগ করা হয়–@ তিন কিস্তি

৯০। বোরো ধান রোপনের জন্য কত বয়সে চারার প্রয়োজন–@ ৪০ থেকে ৫০ দিন

৯১। ধান কাটার উপযুক্ত সময় কখন–@ ধানের শীষের ৮০ ভাগ দানা পরিপক্ক হলে।

৯২। গম চাষে স্বতন্ত্রীকরণ দূরত্ব কত–@ ৩.৫-৪ মিটার

৯৩। সারিবদ্ধ গমের বীজ হার কত–@ ১২০-১৩০ কেজি

৯৪। ছিটিয়ে বপন পদ্ধতিতে গমের বীজ হার –@১৩০-১৪০

৯৫। ঘুমের জমিতে ইউরিয়া সার কত ভাগে ভাগ করে প্রয়োগ করতে হয়–@ দুই ভাগ

৯৬। গম চাষে রোগিং করতে হয় কতবার–@ ২-৩ বার

৯৭। গম বীজের আদ্রতা কত হলে ফসল কর্তন করা যাবে–@ ২০ ভাগ

৯৮। গুদামজাত করার জন্য গম বীজের আদ্রতা কত ভাগ রাখা উচিত –@ ১২ ভাগের নিচে

৯৯। পাটের জমি স্বতন্ত্রীকরণ দূরত্ব–@ ৩০ মিটার অথবা ৩ মিটার

১০০। হেক্টর প্রতি পাটের বিচার কত–@ ২.৫ কেজি

বীজ প্রযুক্তি

১০১। বীজ পাটে রোগিং কয়বার করতে হয়–@ ৩ বার ১০২। হেক্টর প্রতি বেগুনের বীজ হার –@ ৩৭৫-৫০০ গ্রাম

১০৩। বেগুনের চারা রোপনের দূরত্ব কত–@ ৭৫সেমি*৬০সেমি

১০৪। হেক্টর প্রতি টমেটোর বীজ হার –@ ২৫০-৩০০ গ্রাম

১০৫। টমেটো বীজ চাষে বিতর্কীকরণ দূরত্ব কত–@ ২৫ মিটার

১০৬। টমেটো চারা রোপনের উপযুক্ত সময়–@ অক্টোবর -নভেম্বর

১০৭। টমেটোর চারা রোপনের দূরত্ব কত–@ ৬০*৬০সেমি

১০৮। হেক্টর প্রতি ফুলকপির বীজ হার –@ ৩০০ থেকে ৩৫০ গ্রাম

১০৯। কত গড় তাপমাত্রার অঞ্চলে ফুলকপির চাষ হয়ে থাকে–@ ১৫ থেকে ২৫ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট

১১০। বারি উদ্ভাবিত ফুলকপির জাত কোনটি–@ রূপা

১১১। অন্যান্য জাত হতে কত দূরত্বে প্রত্যায়িত বীজ ফুলকপির মাঠ হতে হবে–@ ১০০০ মিটার

১১২। ফুলকপির চারা রোপনের দূরত্ব কত–@ ষাট গুণন ৪৫ সেন্টিমিটার

১১৩। ফুলকপির শুটির কোন অবস্থায় ফসল কর্তন করতে হয়–@ শুটিগুলো বাদামে রং ধারণ করলে

১১৪। মূলা বীজ ফসলের জন্য পৃথকীকরণ দূরত্ব–@ ১০০০ মিটার

১১৫। বাংলাদেশের মুলার বীজ উৎপাদনে কয়টি উদ্ভাবিত জাত ব্যবহার করা হয়–২টি

১১৬। বীজ জলীয় বাষ্পপূর্ণ বাতাসে সংস্পর্শে এলে নিজের মধ্যে কিছু সে নেয়–@ পানি

১১৭। বিয়ের শুকানো মূলত কি–@ বাষ্পীভবন

১১৮। বীজ গজানোর ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে কি কারণে–@ অতিরিক্ত আদ্রতা

১১৯। নিজের বেশি আদ্রতা কি বাড়িয়ে দেয়–@ শ্বাস-প্রশ্বাস

১২০। বীজের আদ্রতা বেশি হলে কিসের আক্রমণ বাড়ে–@ পোকামাকড়

বীজ প্রযুক্তি

১২১। সুষ্ঠুভাবে বীজ প্রক্রিয়াজাত ও সংরক্ষণ করতে কি করতে হয়–@ শুকিয়ে আদ্রতা কমাতে হয়

১২২। বীজ শুকানোর পদ্ধতি কয়টি–@২টি

১২৩। বাতাস উত্তপ্ত করলে বাতাসের কি কমে যায়–@ আপেক্ষিক আদ্রতা

১২৪। বাতাসের আদ্রতা কমানোর জন্য কি ব্যবহার করা হয়–@ সিলিকা জেল

১২৫। ইনফারেট টাপ বাতাস কে উত্তপ্ত না করে কি উত্তপ্ত করে–@ বীজ

১২৬। কোন পদ্ধতিতে বীজ শুকানোর জন্য আবহাওয়ার উপর নির্ভর করতে হয় না–@ কৃত্রিম পদ্ধতি

১২৭। বাতাস কে উত্তপ্ত করার জন্য কোন যন্ত্রের ব্যবহার করা হয়–@ হিটার

১২৮। বাতাসের প্রবাহ বৃদ্ধির জন্য কোন যন্ত্র ব্যবহার করা হয়–@ ব্লোয়ার

১২৯। বীজ বাছাই করা কে বলা হয় —বীজ পরিষ্কার

১৩০। মূল পরিষ্কার করার যন্ত্রের নাম—-ইয়ার স্ক্রিন ক্লিনার

১৩১। বীজের আকার আকৃতির সমান মিশ্রণ আলাদা করার নাম—- বিশেষ পরিষ্কার

১৩২। বীজের গজানোর ক্ষমতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে কখন—যখন কাটা হয়

১৩৩। যতই সময় যেতে থাকে বীজ গজানোর ক্ষমতা কি হয়—কমতে থাকে

১৩৪। যে পরিমাণ বীজ খায় তা থেকে বেশি নষ্ট করে—ইঁদুর ও পাখি

১৩৫। সম্পূর্ণ পরিপক্ক হবার আগে কাঁটা বীজ কি করা যায় না—বেশিদিন সংরক্ষণ

১৩৬। বীজ সংরক্ষণের মূল কথা কি–বীজ শুকনো ও ঠান্ডা রাখা

১৩৭। বীজ শোধন বীজকে কি হতে মুক্ত করে—বীজ বাহিত রোগের জীবাণু

১৩৮। বীজ শোধন প্রয়োগের কোন পদ্ধতিটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়–+-স্লারি

১৩৯। বীজ মোড়কে ভরে মুখ বন্ধ করার নাম—মরকীকরণ

১৪০। বীজের মোরগ সত্যিকার অর্থে কি—ছোট বীজ সংরক্ষণাগার

বীজ প্রযুক্তি

১৪১। দামি বিষ বেশিদিন সংরক্ষণ করার পদ্ধতি—অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল

1৪২। কিসের সাথে সামঞ্জস্য রেখে মোড়কে বীজের পরিমাণ নির্ধারণ করা উচিত—-কৃষকের চাহিদা

১৪৩। কি নিরূপণের জন্য জাত সত্যতা পরীক্ষার উদ্ভাবন করা হয়েছে—জাত সত্যতা

১৪৪। মাঠ পরিদর্শন কি নির্ণয়ের পদ্ধতি—বীজ সত্যতা

১৪৫। জাত সত্যতা পরীক্ষার জন্য গবেষণা করে কি দেখা হয়—চেহারার রং ,আকার ও আকৃতি

১৪৬। নিয়ন্ত্রিত প্লটে নির্দিষ্ট জাতের পাশাপাশি কি লাগানো হয়—আসল জাত

১৪৭। সবজি ফসলের জাত সততা নিরূপণের জন্য কতবার মাঠ পরিদর্শন করার প্রয়োজন হতে পারে–@ তিন অথবা চার বার ১৪৮। মাঠ পরিদর্শনের সময় অন্যতম প্রধান লক্ষণীয় বিষয় কি—-অফ টাইপ

১৪৯। বিজলট হতে কি সংগ্রহ করে বীজ পরীক্ষা করা হয়—বীজের নমুনা

১৫০। নমুনা বীজ লটের কি হওয়া দরকার—প্রতিনিধিত্বমূলক

১৫১। ওপেন ড্রাইভ পদ্ধতির কম তাপ কত ডিগ্রী সেন্টিগ্রেড —১০৩

১৫২। সুস্থ চারার সংখ্যা শতকরা হার কে কি বলে—@গজানোর ক্ষমতা

১৫৩। কিসের ভিত্তিতে ডিজাইন প্রণীত হয়—বীজ নীতি

১৫৪। ডিজাইন কার্যকর করার জন্য বিষয় ভিত্তিক কি প্রণয়ন করা হয়—–বীজ বিধিমালা

১৫৫। আয়না নবীজমান নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির প্রয়োগকে কি বলা হয়—-বীজ প্রত্যয়ন

১৫৬। মাঠ মান ও বীজ মান নির্ধারিত না থাকলে কি করা যায় না—বীজ প্রত্যয়ন

১৫৭। বিষ পরিবহনের সময় কি খেয়াল রাখা দরকার—বীজের মান যেন নষ্ট না হয়

১৫৮। বীজগুদাম অবশ্যই কি হওয়া উচিত—পাকা

১৫৯। বীজের মূল্য কৃষকের নিকট কেমন হওয়া উচিত—আকর্ষণীয়

২৬০। বীজ বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কে মুখ্য—কৃষক

পড়ুনঃ সাম্প্রতিক নমুনা ভাইভা || এডুকেশনবাংলা ডটকম

বীজ প্রযুক্তি

২৬১। কৃষকেরা সাধারণত কি বৈশিষ্ট্যের অধিকারী যে জন্য নতুন বীজের ব্যবহার ধীরে ধীরে গ্রহণ করে—রক্ষণশীল

২৬২। বীজ প্রবর্ধন কার্যক্রম প্রতিষ্ঠানের বীজের প্রতি কি সৃষ্টি করে—উপলব্ধি ও সচেতনতা

২৬৩। বীজ প্রবর্ধন কৌশল গুলিকে কয় ভাগে ভাগ করা যায়—@ ৪

 

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button