Job Preparation

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান

বাংলাদেশের অবস্থান ও আয়তন

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান (GK)
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান (GK)

১।বাংলাদেশের অবস্থান এশিয়া মহাদেশের —দক্ষিণে

২। অক্ষাংশ—২০*৩৩’ উত্তর থেকে ২৬*৩৮’ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে।

৩। দ্রাঘিমাংশ—৮৮*০১’ পূর্ব থেকে ৯২*৪১’ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে।

৪। বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে অতিক্রম করেছে— কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩*৫০’)

৫। বাংলাদেশের আয়তন কত— ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার বা ৫৬,৯৭৭ বর্গমাইল। ( ছিটমহল বিনিময়ের পরে আয়তন কত—১,৪৭,৬১০ বর্গ কিলোমিটার)

৬। বাংলাদেশের নদী অঞ্চলের আয়তন — ৯৪০৫ বর্গ কিলোমিটার ( বিবিএস ১৯৯৬-১৯৯৭)

৭। বনাঞ্চলের আয়তন — ২১,৬৫৭ বর্গ কিলোমিটার (বিবিএস ১৯৯৬-১৯৯৭)। ২.৩২ মিলিয়ন হেক্টর। (অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৮)

৮। বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে পূর্ব – পশ্চিমে অতিক্রম করেছে —-কর্কটক্রান্তি রেখা।

৯। বাংলাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে উত্তর – দক্ষিনে অতিক্রম করেছে —-৯০ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা।

১০। নদী ও বনাঞ্চল বাদে বাংলাদেশের আয়তন —- ১,১৬,৫০৮ বর্গ কিলোমিটার।

১১। বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের আয়তন—-১,১৮,৮১৩ বর্গ কিলোমিটার।

১২। বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলের মোট দৈর্ঘ্য – ৭১১ কি মি।

বঙ্গবন্ধু মান মন্দির

১। বঙ্গবন্ধু মান মন্দির নির্মাণ করা হয় —- ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ভাঙ্গারদিয়া গ্রামে।
২। বঙ্গবন্ধু মান মন্দির স্থাপনের প্রস্তাব করেন —- বঙ্গবন্ধুর শতবর্ষ উদযাপন কমিটির সভায় ডক্টর জাফর ইকবাল।
৩। ডক্টর জাফর ইকবাল কোন নিবন্ধে বঙ্গবন্ধু মানমন্দিরের প্রথম ধারণা দেন—- একটি স্বপ্ন।

বাংলাদেশের সীমান্ত দৈর্ঘ্য ও অন্যান্য

১। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের কয়টি প্রদেশ—-পাঁচটি।
২। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মিয়ানমারের কয়টি প্রদেশ—–দুইটি।
উত্তরে—-( পশ্চিমবঙ্গ ,মেঘালয় ও আসাম )
পূর্বে —–( ভারতের আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মিয়ানমারের আরাকান/বর্তমান নাম রাখাইন রাজ্য ও চীন প্রদেশ)
পশ্চিমে —- ভারতের পশ্চিমবঙ্গ।
দক্ষিনে —–বঙ্গোপসাগর।
৩। বাংলাদেশের মোট সীমানা দৈর্ঘ্য—-৫১৩৮ কি মি / ৪৭১১ ( মাধ্যমিক ভূগোল বই )
৪। বাংলাদেশের রাজনৈতিক / উপকূলীয় সমুদ্রসীমা —–১২ নটিক্যাল মাইল।
৫। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা—– ২০০ নটিক্যাল মাইল।

৬। মহীসোপানের দৈর্ঘ্য —– ৩৫৪ নটিক্যাল মাই।
৭। বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমান্ত দৈর্ঘ্য —– ৪১৫৬ কি মি ( বিজিবি সূত্রে) / ৩৭১৫ কি মি ( মাধ্যমিক ভূগোল বই )
৮। মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত দৈর্ঘ্য —- ২৭১ কি মি ( বিজিবি সূত্রে ) / ২৮০ কি মি ( মাধ্যমিক ভূগোল বই )
এ ধরনের নৈব্যক্তিক প্রশ্নের উত্তরের জন্য অপশনে যেকোনো একটি দেওয়া থাকে সেক্ষেত্রে যেটি দেওয়া থাকবে সেটিকেই টিক চিহ্ন দিন।
৯। মোট স্থল সীমা —- ৪৪২৭ কি মি ( সরকারি হিসেবে )
১০। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য কয়টি —– পাঁচটি
১১। বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে ফারাক্কা বাঁধের দূরত্ব —– ১৬.৫ কি মি।
১২। বাংলাদেশের সাথে কতটি দেশের সীমান্ত আছে—- দুইটি।
১৩। বাংলাদেশ ও ভারতের সীমানা বিশ্বে কততম দীর্ঘতম—–পঞ্চম

১৪। ভারত ও বাংলাদেশ সীমান্ত চুক্তি কখন স্বাক্ষরিত হয়—১৬ই মে ১৯৭৪

১৫। ভারতের সাথে বাংলাদেশের আওমিমাংসিত সীমান্ত কত—৬.৫ কিলোমিটার

১৬। কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের দৈর্ঘ্য কত—১৫৫ কিলোমিটার

১৭। সমুদ্র তল থেকে দিনাজপুরের উচ্চতা —-৩৭.৫০ কিলোমিটার

১৮। সমুদ্র তল থেকে নারায়ণগঞ্জ এবং রাজশাহীর উচ্চতা—-৮ মিটার

১৯। সমুদ্র তল থেকে বগুড়ার উচ্চতা—-২০ মিটার

২০। প্লাবনভূমি এলাকার গড় উচ্চতা—-সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে প্রায় ৯.১৪ মিটার বা ৩০ ফুট

২১। মধুপুর ও ভাওয়াল ঘরের আয়তন—-প্রায় ৪৩১০কিলোমিটার

২২। পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ—বাংলাদেশ

২৩। আয়তনের দিক দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের স্থান কত তম—৯২ তম

২৪। চন্দ্রনাথ পাহাড় কেন বিখ্যাত—হিন্দুদের তীর্থস্থানের জন্য

২৫। বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় পর্বত শৃঙ্গ কোনটি—-তাজিংডং (বিজয়) উচ্চতা ১২৩১ মিটার

২৬। বাংলাদেশের দ্বিতীয় সবচেয়ে বড় পর্বত শৃঙ্গ—কেওক্রাডং , উচ্চতা ১২৩০ মিটার।

২৭। লালমাই পাহাড় কোথায় অবস্থিত—-কুমিল্লা

২৮। দুবলার চর কোথায় অবস্থিত—নোয়াখালী

২৯। চর কুকিমুখী ও চর নিউটন কোথায় অবস্থিত—ভোলা জেলার চরফ্যাশনে

৩০। দুবলার চর কোথায় অবস্থিত—নোয়াখালী

৩১ । মূহরীর চর কোথায় অবস্থিত–ফেনী জেলায়

৩২। বাংলাদেশের বৃহত্তম বিলের নাম—চলনবিল

৩৩। চলনবিল কোথায় অবস্থিত—পাবনা ও নাটোর জেলায়

৩৪। তামাবিল অবস্থিত—- সিলেট জেলায়

৩৫। হাকালুকি হাওর কোথায় অবস্থিত—সিলেট জেলায়

৩৬। বাংলাদেশের বিখ্যাত জলপ্রপাত—মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত

৩৭। মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত কোথায় অবস্থিত—-মৌলভীবাজার জেলার পড়ালেখায়।

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভূ-খণ্ড।

১। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী উত্তরের স্থানের নাম—-বাংলা বান্দা
২। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দক্ষিণের স্থানের নাম —– ছেঁড়া দ্বীপ
৩। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী পূর্বের স্থানের নাম —– আখানইঠং
৪। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী পশ্চিমের স্থানের নাম —-মনকশা
৫। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী উত্তরের উপজেলা —- তেঁতুলিয়া
৬। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দক্ষিণের উপজেলা—- টেকনাফ
৭। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী পূর্বের উপজেলা —– থানচি
৮। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী পশ্চিমের উপজেলা—– শিবগঞ্জ
৯। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী উত্তরের জেলা ——পঞ্চগড়
১০। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দক্ষিণের জেলা—-কক্সবাজার

১১। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী পূর্বের জেলা—-বান্দরবান
১২। বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী পশ্চিমের জেলা —–চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
১৩। বাংলাদেশ ও ভারত সমুদ্র সীমা বিরোধ নিষ্পত্তির মামলা হয় কোন আদালতে—–স্থায়ী সালিশি আদালত
১৪। বাংলাদেশের উত্তরে কোনটির অবস্থান—- মেঘালয়
১৫। কোন জেলা বৌমারি ও বড়াইবাড়ি সীমান্তে অবস্থিত—-কুড়িগ্রাম
১৬। বিলোনিয়া সীমান্ত কোন জেলায় অবস্থিত—-ফেনী

১৭। বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের কোন দ্বীপটি অবস্থিত—সেন্ট মার্টিন

১৮। বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ—সেন্ট মার্টিন

ছিট মহল সমস্যা ও সমাধান

সিট মহল: একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানা থেকে বিচ্ছিন্ন এবং অন্য দেশের ভূখণ্ড বা জলপথ দ্বারা আবদ্ধ জনপদ।
১। ছিটমহল সমস্যার উদ্ভব—– ১৬ আগস্ট, ১৯৪৭
২। ছিটমহল সমস্যা সমাধানে নুন-নেহেরু চুক্তি হয়—১৯৫৮ সালে
৩। মুজিব- ইন্দিরা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়—- ১৬ই মে ১৯৭৪।
৪। মুজিব – ইন্দিরা চুক্তি কার্যকর হয়—-পহেলা আগস্ট ২০১৫
চুক্তি অনুমোদন দিয়ে সংশোধনী: বাংলাদেশের ১৯৭৪ সালের তৃতীয় সংশোধনী এবং ভারতের ২০১৫ সালের ১০০ তম সংশোধনী।
৫। ভারতে বাংলাদেশের কতটি মহল রয়েছে—-৫১টি
৬। ভারতীয় বাংলাদেশের ছিটমহলের মোট আয়তন—-৭১১০ একর
৭। বাংলাদেশে ভারতের কয়টি ছিটমহল রয়েছে—১১১ টি
৮। বাংলাদেশে ভারতের ছিটমহলের মোট আয়তন—-১৭,১৫৮.৭৫ একর।
ছিটমহল বিনিময়ে
৯। বাংলাদেশের সাথে যুক্ত হয়েছে—–১০,০৪১.২৫ একর
১০। প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়—কুড়িগ্রামের দশিয়ারছড়া ছিটমহলে

১১। দশিয়ারছড়া ছিটমহলের বর্তমান নাম—মুজিব- ইন্দিরা ইউনিয়ন

১২। তিন বিঘা করিডোরের অবস্থান—লালমনিরহাটের তিস্তা নদীর পাড়ে
১৩। ভারত তিন বিঘা করিডোর খুলে দেয়—-২৬ শে জুন ১৯৯২
১৪। তিন বিঘা করিডোরের আয়তন—১৭৮*৮৫= ১৫,১৩০ বর্গমিটার
১৫। তিন বিঘা করিডরের বিনিময়ে ভারত নেয়—-বেরুবাড়ী ছিট মহল (পঞ্চগড়)
১৬। দহগ্রাম ও আঙ্গারপোতা ছিটমহলের অবস্থান—-লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল।
১৭। দহগ্রাম ও আঙ্গারপোতা ছিটমহলের আয়তন—–প্রায় ২২ লাখ বর্গ কিলোমিটার
১৮। সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড এর অবস্থান—-বঙ্গোপসাগরে
১৯। সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড কিসের নাম—বঙ্গোপসাগরের একটি খাদের নাম
২০। সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড এর অন্য নাম—-গঙ্গাখাত।

২১। লালমনিরহাট জেলা থেকে তিন বিঘার দূরত্ব—৮০ মাইল

বিরাম চিহ্ন কি? বিরাম চিহ্নের ব্যবহার।

২২। দহগ্রামের আয়তন—-৩৫ বর্গ কিলোমিটার

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button